BCB medical College alumni association

BCB medical College alumni association Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BCB medical College alumni association, College & University, Barasat.

14/05/2026
আমেরিকার NHS গষেকরা বলছেন, আপনার কিডনি দিন দিন নষ্ট  হচ্ছে অথচ আপনি, জানতে পারবেন না।এর কারন, কিডনি নষ্টের মোট স্টেজ সাধ...
19/10/2024

আমেরিকার NHS গষেকরা বলছেন, আপনার কিডনি দিন দিন নষ্ট হচ্ছে অথচ আপনি, জানতে পারবেন না।এর কারন, কিডনি নষ্টের মোট স্টেজ সাধারণত ৫ টি ধাপে ধরা হয়,কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, প্রথম,এবং দ্বিতীয়, স্টেজে কিডনি নষ্টের কোন লক্ষন সিমটম প্রকাশ হয় না।যা আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে একটি ভয়াবহ পরিনতি। । তবে এক্ষেত্রে তারা কয়েকটি উপায় বলছেন, যেমন, কিডনী নষ্টের প্রাথমিক রোগগুলো হলো,
১) ডায়াবেটিস রোগ, এবং অধিকদিন ধরে পেইনকিলার ঔষধ সেবন করা, হাই প্রেশার এগুলি যাদের থাকে তাদের দিন দিন কিডনি নষ্ট হতে থাকে কিন্তু তার সিমটম লক্ষন প্রকাশ হয় না। যখন প্রকাশ হয় তখন স্টেজ ৩, ৪ হয়ে যায় মানে একদম শেষের দিকে তখন আর উপায় থাকে না।তাই বিশেষজ্ঞ রা বলছেন উক্ত রোগগুলো হলেই কিডনি চেকাপ করে দেখবেন। তাহলে ধরতে পারবেন।
২) যারা নিয়মিত পাতে কাঁচা লবন সেবন করেন তাদের জন্য আছে ভয়াবহ সংবাদ, কিডনি স্পেশালিস্ট নেফ্রোলজিস্ট ট্রান্স, ইন্ডিয়া, ডা.পার্থ বড়ুয়া বলছেন কাঁচা লবন কিডনির রাসায়নিক পদার্থ অপসারণে প্রচুর বাধা সৃষ্টি করে, যা ধীরে কিডনি মেরে ফেলে, এছাড়া পাথর জমতে থাকে।

৩)অতিরিক্ত রাত জাগা কিডনি নষ্টের অন্যতম কারন।সাধারণত মানুষ ঘুমানোর পর, টিসু নির্মান কাজ সুন্দরভাবে তৈরি হয়,কিন্তু রাত জাগা টিসু নির্মান তো দূরের কথা টিসু ক্ষয় দিন অপেক্ষা রাত জাগলে বেশি হয়। যা কিডনির স্বাভাবিক গঠনে ব্যাহত হয়।

৪)প্রস্রাব আটকে রাখা, ধরে রাখা ইউরেথ্রার গতি স্তব্ধ করে দেয় যা কিডনির বর্জ্য পদার্থ অপসারণে প্রচুর বাধা সৃষ্টি করে, এবং এটি করতে থাকা মানে আপনি নিরবে কিডনিকে মেরে ফেলছেন বলে ধারনা করছেন কিডনি বিশেষজ্ঞ রা।
৫) মদ্যপান এলকোহল,চা কফি পান, রাত জেগে লালপানি সেবন নারী পিপাসু, অতি দ্রুত কিডনি ডেমেজ করার অন্যতম কারন হিসেবে আখ্যা প্রদান করেন যুক্তরাষ্ট্রের NHS.। মুলত মদ্য, কফি,চা, এলকোতে ক্যাফেইন মাত্রা বেশি থাকে যা কিডনির রাসায়নিক পদার্থ অপসারণে কিডনির ক্রিয়েটিনিন সৃষ্টি স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা নষ্ট করে ফেলে। অথচ আমরা টপাটপ চায়ের দোকানে বসে দিব্বি চা খাচ্ছি, আর দিন দিন এই মরণঘাতী রোগের সাথে বন্ধুত্ব করছি। আপনার সচেতনতা আপনাকে ভাল রাখবে। বন্ধুদের সাথে আধুনিক ভাববিনিময় করতে গিয়ে নিজের সর্বনাশ নিজে করা কোন যুক্তিসঙ্গত কাজ হতে পারে না। আপনার কিডনি নষ্ট হলে, কিডনি ট্রান্সফার করতে গিয়ে অনেক অর্থ প্রয়োজন হলে এই আড্ডা দেওয়া বন্ধুরা তখন পিছিয়ে পালাবে, এটাই বাস্তব, তাই নিজের ভাল নিজে বুঝবেন।

18/08/2023

জরুরি কিছু হোমিও চিকিৎসা শিখে রাখুন-
১। যে-কোনো রোগ হঠাৎ দেখা দিলে Aconite খেতে হবে
২। যে-কোনো ধরনের জ্বরে Rhus tox খেতে হবে
৩। ডেঙ্গু জ্বর হলে Eupatorium perfoliatum খেতে হবে
৪। সর্দি হলে Allium cepa অথবা Arsenic album খেতে হবে
৫। খুসখুসে কাশিতে Belledonna এবং মারাত্মক কাশিতে Bryonia খেতে হবে
৬। ডায়েরিয়া হলে Arsenic album খেতে হবে
৭। আমাশয় হলে Merc sol এবং সাথে রক্ত গেলে Merc cor খেতে হবে
৮। ব্যথা পেলে Arnica খেতে হবে
৯। পেট ব্যথা চাপ দিলে কমলে Colocynthis এবং চাপ দিলে বাড়লে Dioscorea খেতে হবে
১০। প্রসব ব্যথা শুরু হলে Pulsatilla খেতে হবে
১১। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া করলে Cantharis খেতে হবে
১২। দাত ব্যথায Kreosote অথবা Plantago খেতে হবে
১৩। ভিটামিন হিসাবে Alfalfa খেতে হবে
১৪। পুরুষদের যেৌন দুর্বলতার জন্য Staphisagria, Selenium ইত্যাদি খেতে হবে
১৫। উচ্চ রক্তচাপের জন্য Natrum mur, Sepia ইত্যাদি খেতে হবে
১৬। ডায়াবেটিসের জন্য Acid Phos, Sanicula, Gymnema sylvestra ইত্যাদি খেতে হবে
১৭। কেটে গেলে এটিএস ইনজেশানের বদলে Hypericum খেতে হবে
১৮। ইদুঁর-বাদুর-কুকুর-বিড়াল কামড়ালে Arsenic album খেতে হবে কয়েক দিন
[৩০ বা ২০০ শক্তির ঔষধ খাবেন ১ ফোটা বা ৫টি বড়ি করে । একবার খাওয়াই যথেষ্ট তবে প্রয়োজন হলে রোজ তিন বার অথবা আরো ঘনঘন খেতে পারেন]

30/05/2023

🌿বায়োকেমিক বার টি ঔষধের সংক্ষিপ্ত পরিচয়:
🍀বায়োকেমিক ঔষধ গ্রহণ করলে দেহ রোগমুক্ত হয় । এই ঔষধগুলো সাধারণত পাউডার অথবা ট্যাবলেট রূপে পাওয়া যায় । শক্তির মাত্রা ৩এক্স,৬এক্স,১২এক্স ইত্যাদি ।
★ট্যবলেটগুলি সাধারণত ৩/৪টি করে দিনে ৩/৪ বার খেতে হয় । গরম পানিতে গুলে খেলে এর ক্রিয়া ভালভাবে হয় । সম্ভব না হলে চিবিয়েও খাওয়া যায় ।

🪴আবার এই ১২টি ঔষিই হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে শক্তিকৃত করে হোমিওপ্যাথি মতে (সদৃশ্য বিধান) রোগীর দেহে প্রয়োগ করা হয় । সেক্ষেত্রে শক্তির মাত্রা ৩/৬/৩০/২০০/১০০০/১০,০০০/১০০,০০০ এই রকম ।

🏵️আমরা এই মহা মুল্যবান ১২টি ঔষধের ক্রিয়া আলোচনা করব ।

🥀১/ ক্যালকেরিয়া ফ্লোর
পরিচয় : ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড,ফ্লোরম্পার ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – চোখের ছানি, কোমর ব্যথা, মচকা ব্যথা, স্তনে গুটি, দাঁত উঠতে দেরি হওয়া, দাঁতের ক্ষয় ও প্রদাহ, চামড়া ফাটা, সহজেই রক্তপাত, বংশগত সিফিলিস,এ্যাডিনয়েডস ।

💠২/ ক্যালকেরিয়া ফস
পরিচয় : ক্যালসিয়াম ফসফেট,ফসফেট অফ লাইম ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – স্নায়ুর দুব©লতা, মৃগী, অন্ত্রের প্রদাহ, পরিপোষণ বা মেটাবলিজমের ত্রুটি, দাঁত উঠতে দেরি হওয়া, ক্ষয়রোগ, পায়খানার সাথে অভুক্ত দ্রব্য, পেটে বায়ু । ডায়াবেটিস রোগীদের অস্তিভঙ্গ, মস্তিস্কের অবসাদ, ব্রাইটস ডিজিস, রসযুক্ত চম©রোগ ।

💠৩/ ক্যালকেরিয়া সালফ
পরিচয় : ক্যালসিয়াম সালফেট,জিপসাম, প্লাস্টার অফ প্যারিস ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – ফোঁড়া, কাবা©ঙ্কল, পুঁজযুক্ত ব্রণ, পোড়া ঘাঁ, চুলকানি, ফিস্টুলা, গ্রন্থিস্ফীতি, স্নায়বিক দুব©লতা, জনন ইন্দ্রিয়ের দুব©লতা, পরিবত©শীল মানসিকতা, পায়ের তালুতে জ্বালা-পড়া এবং চুলকানি, অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ খাওয়ার পর শারীরিক দুব©লতা।

💠৪/ ফেরাম ফস
পরিচয় : ফেরোসো ফেরিক ফসফেট, ফসফেট অফ আয়রণ ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – অ্যানিমিয়া, রক্তপাতের ফলে রক্তাল্পতা, নাড়ীর গতি দ্রুত, মাথার যন্ত্রণা, জিভের প্রদাহ, জিভ লেপাকৃত অথবা রক্তাভ, অক্ষুধা, দেহের ওজন এবং শক্তি কমে যাওয়া, শিশুদের মানসিক ও দৈহিক বল হ্রাস, শীণ©তা, ক্ষুধামান্দ্য ।

💠৫/ ক্যালি মিউর
পরিচয় : পটাসিয়াম ক্লোরাইড ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – হাটে©র দুব©লতা, বুক ধড়ফড় করা, হৃদপিণ্ড বৃদ্ধি পাওয়া, পেরিকাডা©ইটিস, থ্রম্বসিস, গ্রন্থ বৃদ্ধি, ফুসফুস প্রদাহ, নিউমোনিয়া, পিত্ত নিঃসরণ কম হওয়ার ফলে অজীণ©, অক্ষুধা, গলক্ষত, লিভারের দুব©লতা ।

💠৬/ ক্যালি ফস
পরিচয় : পটাসিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – মানসিক দুব©লতা, মানসিক বিপয©য়, মানসিক অবসাদ, মানসিক কারণে মাথার যন্ত্রণা, মস্তিস্কের দুব©লতা ও অবসাদ, পেটে বায়ু এবং সে কারণে হৃদপিণ্ডের অপক্রিয়া, দুগ©ন্ধযুক্ত পায়খানা, উঠে দাড়ালে মাথা ঘোরা, সেরিব্রাল অ্যানিমিয়া, জননাঙ্গের দুব©লতা ।

💠৭/ ক্যালি সালফ
প্রয়োগ ক্ষেত্র – হাম,বসন্ত চম©পীড়া, বুকে ঘড়ঘড় শব্দযুক্ত হাঁপানী, বিকালের জ্বর,চমে©র উপর ইহার ক্রিয়া অনেক বেশি,স্রাব আঠালো, সবুজবণে©র, দুগ©ন্ধযুক্ত, ইহার অভাবে চম© থেকে খুশকি উঠে ।

💠৮/ ম্যাগ ফস
পরিচয় : ম্যাগনেসিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – বিভিন্ন প্রকার ব্যথা ও যন্ত্রণা, মাথার যন্ত্রণা, পেটে ব্যথা, স্নায়ুশূল, স্প্যাজমেডিক পেইন, স্মৃতিশক্তিহীনতা, চিন্তাশক্তির দুব©লতা, স্নায়বিক দুব©লতা, দাঁড়ানো অবস্থায় এবং চলতে চলতে মলত্যাগের ইচ্ছা । এই ঔষধটি স্নায়ুকোষে পুষ্টি জোগায় ।

💠৯/ ন্যাট্রাম মিউর
পরিচয় : সোডিয়াম ক্লোরাইড ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – নুন বেশি খাওয়ার প্রবণতা, কোষ্টকাঠিন্য, মাথা যন্ত্রণা (হাপানি সহ), সদি© কাশির প্রবণতা, হাঁচি, নাক দিয়ে কাঁচা পানি পড়া, হিস্টিরিয়াম, সংজ্ঞালোপ, টাইফয়েড, জ্বরে প্রলাপ বকা, পেটে শূল বেদনা, লিভারের গোলযোগ, বোধ শক্তির অভাব, ক্রিমি, মস্তিস্কের দুব©লতা ।

💠১০/ ন্যাট্রাম ফস
পরিচয় : সোডিয়াম ফসফেট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – অম্লরোগ, পাকস্থলী এবং অন্ত্রের গোলযোগ, শিশুদের অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানোর ফলে ল্যাকটিক এসিড বৃদ্ধি পাওয়া, গনোরিয়া জিভে হালকা প্রলেপ, বুকের বাঁদিকে ব্যথা (নিপ্ল এর নীচে) ডান কাধে বাত জনিত ব্যথা, স্বপ্নদোষ ব্যতিত ধাতুক্ষয়, অপথ্যালমিয়া, কান থেকে রস পড়া ।

💠১১/ ন্যাট্রাম সালফ
পরিচয় : সোডিয়াম সালফেড, প্লবারস সল্ট ।

🔸প্রয়োগ ক্ষেত্র – গ্যাসট্রাইটিস, পেটে বায়ু, পেটে ব্যথা, লিভারের গোলমাল, নখের গোড়ায় প্রদাহ এবং পুজ, অবসাদ, তন্দ্রলুতা, আঁচিল - চোখের চার পাশে, মাথায়, মুখে, বুকে ও মলদ্বারে, নেফ্রাইটিস, মেরুদন্ডে ব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, সেক্রামে ব্যথা ।

💠১২/ সাইলিসিয়া
পরিচয় : সিলিকা, সিলিসিক অক্সাইড ।

🔹প্রয়োগ ক্ষেত্র – রিকেট, বাতরোগ, প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি, মধ্য কানের প্রদাহ, দেহের কোথাও পুঁজ, গেঁটেবাত, কোষ্টকাঠিন্য, #বিঃদ্রঃ সকল ঔষধ অবিজ্ঞগতা সম্পূর্ণ চিকিৎসাকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন!

16/05/2023

Essential homeopathic medicines (জরুরি হোমিওপ্যাথিক ঔষধসমূহ) :- জরুরি দশ-পনেরটি হোমিও ঔষধের নাম (সাথে প্রধান প্রধান লক্ষণসহ) দেওয়া হলো যেগুলো কিনে এনে সব সময় ঘরে জমা করে রাখা উচিত। তাহলে প্রয়োজনের সময় রাত-বিরাতে আর ঔষধ কেনার জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে হবে না এবং ছোট-খাটো ব্যাপারে ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে যাওয়ার ঝামেলা থেকেও বেঁচে যাবেন। প্রতিটি ঔষধ ৩০ শক্তিতে বড়িতে এক ড্রাম (অথবা দু্ই ড্রাম) করে কিনে রাখুন। সাধারণত হোমিও ফার্মেসীগুলোতে ৫০টির মতো হোমিও ঔষধের শিশি রাখার মতো ছোট্ট বাক্স পাওয়া যায়। এরকম একটি বাক্স কিনে তাতে ঔষধের শিশিগুলি রাখুন।

(১) Aconitum napellus :- যে-কোন রোগই হউক না কেন (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া-আমাশয়-নিউমোনিয়া-পেটব্যথা-হাঁপানি-মাথাব্যথা-বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট-বার্ড ফ্লু-বুক ধড়ফড়ানি প্রভৃতি), যদি হঠাৎ শুরু হয় এবং শুরু থেকেই মারাত্মকরূপে দেখা দেয় অথবা দুয়েক ঘণ্টার মধ্যে সেটি মারাত্মক আকার ধারণ করে, তবে একোনাইট ঔষধটি হলো তার এক নাম্বার ঔষধ। একোনাইটকে তুলনা করা যায় ঝড়-তুফান-টর্নেডোর সাথে.....প্রচণ্ড কিন্তু ক্ষণস্থায়ী। একোনাইটের রোগী রোগের যন্ত্রণায় একেবারে অস্থির হয়ে পড়ে। রোগের উৎপাত এত বেশী হয় যে, তাতে রোগী মৃত্যুর ভয়ে ভীত হয়ে পড়ে। রোগী ভাবে সে এখনই মরে যাবে।
(২) Bryonia alba : ব্রায়োনিয়ার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগীর ঠোট-জিহ্বা-গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে থাকে, প্রচুর পানি পিপাসা থাকে, রোগী অনেকক্ষণ পরপর একসাথে প্রচুর ঠান্ডা পানি পান করে, নড়াচড়া করলে রোগীর কষ্ট বৃদ্ধি পায়, রোগীর মেজাজ খুবই বিগড়ে থাকে, কোষ্টকাঠিন্য দেখা দেয় অর্থাৎ পায়খানা শক্ত হয়ে যায়, প্রলাপ বকার সময় তারা সারাদিনের পেশাগত কাজের কথা বলতে থাকে অথবা বিছানা থেকে নেমে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে, শিশুদের কোলে নিলে তারা বিরক্ত হয়, মুখে সবকিছু তিতা লাগে। যে-কোন রোগই হউক না কেন, যদি উপরের লক্ষণগুলোর অন্তত দু-তিনটি লক্ষণও রোগীর মধ্যে পাওয়া যায়, তবে ব্রায়োনিয়া সেই রোগ সারিয়ে দিবে। ব্রায়োনিয়া ঔষধটি নিউমোনিয়ার জন্য আল্লাহ্‌র একটি বিরাট রহমত স্বরূপ। সাধারণত নিম্নশক্তিতে খাওয়ালে ঘনঘন খাওয়াতে হয় কয়েকদিন কিন্তু (১০,০০০ বা ৫০,০০০ ইত্যাদি) উচ্চশক্তিতে খাওয়ালে দুয়েক ডোজই যথেষ্ট।

(৩) Rhus toxicodendron : রাস টক্সের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচণ্ড অস্থিরতা, রোগী এতই অস্থিরতায় ভোগে যে এক পজিশনে বেশীক্ষণ স্থির থাকতে পারে না, রোগীর শীতভাব এমন বেশী যে তার মনে হয় কেউ যেন বালতি দিয়ে তার গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালতেছে, নড়াচড়া করলে (অথবা শরীর টিপে দিলে) তার ভালো লাগে অর্থাৎ রোগের কষ্ট কমে যায়, স্বপ্ন দেখে যেন খুব পরিশ্রমের কাজ করতেছে। বর্ষাকাল, ভ্যাপসা আবহাওয়া বা ভিজা বাতাসের সময়কার যে-কোন জ্বরে (বা অন্যান্য রোগে) রাস টক্স এক নাম্বার ঔষধ। রাস টক্স খাওয়ার সময় ঠান্ডা পানিতে গোসল বা ঠান্ডা পানিতে গামছা ভিজিয়ে শরীর মোছা যাবে না। বরং এজন্য কুসুম কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে হবে। কেননা ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে রাস টক্সের একশান নষ্ট হয়ে যায়। (* ব্রায়োনিয়া এবং রাস টক্সের প্রধান দুটি লক্ষণ মনে রাখলেই চলবে ; আর তা হলো - নড়াচড়া করলে ব্রায়োনিয়ার রোগ বেড়ে যায় এবং রাস টক্সের রোগ হ্রাস পায় / কমে যায়।)
(৪) Lycopodium clavatum : লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগের মাত্রা বিকাল ৪-৮টার সময় বৃদ্ধি পায়, এদের রোগ ডান পাশে বেশী হয়, রোগ ডান পাশ থেকে বাম পাশে যায়, এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের সারা বৎসর প্রস্রাবের বা হজমের সমস্যা লেগেই থাকে, এদের দেখতে তাদের বয়সের চাইতেও বেশী বয়ষ্ক মনে হয়, এদের স্বাস্থ্য খারাপ কিন্তু ব্রেন খুব ভালো, এরা খুবই সেনসিটিভ এমনকি ধন্যবাদ দিলেও কেঁদে ফেলে ইত্যাদি ইত্যাদি। উপরের লক্ষণগুলোর দু’তিনটিও কোন রোগীর মধ্যে থাকলে লাইকোপোডিয়াম তার যে-কোন রোগ (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া-আমাশয়-নিউমোনিয়া-পেটব্যথা-হাঁপানি-মাথাব্যথা-বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট-বার্ড ফ্লু-বুক ধড়ফড়ানি-চুলপড়া-ধ্বজভঙ্গ প্রভৃতি) সারিয়ে দেবে।

(৫) Belladonna : তিনটি লক্ষণের উপর ভিত্তি করে বেলেডোনা ঔষধটি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, যথা- উত্তাপ, লাল রঙ এবং জ্বালা-পোড়া ভাব। যদি শরীরে বা আক্রান্ত স্থানে উত্তাপ বেশী থাকে, যদি আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে যায় (যেমন- মাথা ব্যথার সময় মুখ লাল হওয়া, পায়খানার সাথে টকটকে লাল রক্ত যাওয়া), শরীরে জ্বালা-পোড়াভাব থাকে, রোগী ভয়ঙ্কর সব জিনিস দেখে, ভয়ে পালাতে চেষ্টা করে, অনেক সময় মারমুখী হয়ে উঠে ইত্যাদি ইত্যাদি। জ্বরের সাথে যদি রোগী প্রলাপ বকতে থাকে, তবে বেলেডোনা তাকে উদ্ধার করবে নিশ্চিত। উপরের লক্ষণগুলো কোন রোগীর মধ্যে পাওয়া গেলে যে-কোন রোগে (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া-আমাশয়-রক্তআমাশয়-পেটব্যথা-মাথাব্যথা-বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট-বার্ড ফ্লু- বুক ধড়ফড়ানি প্রভৃতি) বেলেডোনা প্রয়োগ করতে পারেন।
(৬) Arsenicum album : আর্সেনিকের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগীর মধ্যে প্রচণ্ড অস্থিরতা (অর্থাৎ রোগী এক জায়গায় বা এক পজিশনে বেশীক্ষণ থাকতে পারে না। এমনকি গভীর ঘুমের মধ্যেও সে নড়াচড়া করতে থাকে।), শরীরের বিভিন্ন স্থানে ভীষণ জ্বালা-পোড়া ভাব, অল্প সময়ের মধ্যেই রোগী দুর্বল-কাহিল-নিস্তেজ হয়ে পড়ে, রোগীর বাইরে থাকে ঠান্ডা কিন্তু ভেতরে থাকে জ্বালা-পোড়া, অতিমাত্রায় মৃতুভয়, রোগী মনে করে ঔষধ খেয়ে কোন লাভ নেই- তার মৃত্যু নিশ্চিত, গরম পানি খাওয়ার জন্য পাগল কিন্তু খাওয়ার সময় খাবে দুয়েক চুমুক। বাসি-পচাঁ-বিষাক্ত খাবার খেয়ে যত মারাত্মক রোগই হউক না কেন, আর্সেনিক খেতে দেরি করবেন না। ফল-ফ্রুট খেয়ে (ডায়েরিয়া, আমাশয়, পেট ব্যথা ইত্যাদি) যে-কোন রোগ হলে আর্সেনিক হলো তার এক নম্বর ঔষধ।
(৭) Arnica montana : যে-কোন ধরনের আঘাত, থেতলানো, মচকানো, মোচড়ানো, ঘুষি, লাঠির আঘাত বা উপর থেকে পড়ার কারণে ব্যথা পেলে আর্নিকা খেতে হবে। শরীরের কোন একটি অঙ্গের বেশী ব্যবহারের ফলে যদি তাতে ব্যথা শুরু হয়, তবে আর্নিকা খেতে ভুলবেন না। আক্রান্ত স্থানে এমন তীব্র ব্যথা থাকে যে, কাউকে তার দিকে আসতে দেখলেই সে ভয় পেয়ে যায় (কারণ ধাক্কা লাগলে ব্যথার চোটে তার প্রাণ বেরিয়ে যাবে)। রোগী ভীষণ অসুস্থ হয়েও মনে করে তার কোন অসুখ নেই, সে ভালো আছে। উপরের লক্ষণগুলোর কোনটি থাকলে যে-কোন রোগে আর্নিকা প্রয়োগ করতে পারেন।

(৮) Mercurius solubilis : মার্ক সল ঔষধটির প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো প্রচুর ঘাম হয় কিন্তু রোগী আরাম পায় না, ঘামে দুর্গন্ধ বা মিষ্টি গন্ধ থাকে, কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না, ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরে, পায়খানা করার সময় কোথানি, পায়খানা করেও মনে হয় আরো রয়ে গেছে, অধিকাংশ রোগ রাতের বেলা বেড়ে যায়। রোগী ঠান্ডা পানির জন্য পাগল। ঘামের কারণে যাদের কাপড়ে হলুদ দাগ পড়ে যায়, তাদের যে-কোন রোগে মার্ক সল উপকারী। এটি আমাশয়ের এক নম্বর ঔষধ। উপরের লক্ষণগুলো থাকলে যে-কোন রোগে মার্ক সল প্রয়োগ করতে পারেন।
(৯) Gelsemium sempervirens : জেলসিমিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো রোগীর মধ্যে ঘুমঘুম ভাব থাকে বেশী, রোগী অচেতন-অজ্ঞান-বেহুশের মতো পড়ে থাকে, দেখা যাবে গায়ে প্রচণ্ড জ্বর অথচ রোগী নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে, মাথা ঘুড়ানি থাকে, শরীর ভারভার লাগে, মাত্রাতিরিক্ত দুর্বলতার কারণে রোগী নড়াচড়া করতে পারে না এবং একটু নড়াচড়া করতে গেলে শরীর কাঁপতে থাকে, ওপর থেকে পড়ে যাওয়ার ভয় এবং হৃৎপিন্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়, সাহসহীনতা, শরীরের জোর বা মনের জোর কম হওয়া, ইত্যাদি লক্ষণ আছে।
পরীক্ষার বা ইন্টারভিউর পূর্বে বেশী উৎকন্ঠিত হলে Argentum nitricum অথবা Gelsemium (শক্তি কিউ, ৩,৬, ১২,৩০) এক ঘন্টা পরপর খেতে থাকুন।
(১০) Hepar sulph ‍ : হিপার সালফের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এরা সাংঘাতিক সেনসেটিভ (over-sensitiveness), এতই সেনসেটিভ যে রোগাক্রান্ত স্থানে সামান্য স্পর্শও সহ্য করতে পারে না, এমনকি কাপড়ের স্পর্শও না। কেবল মানুষের বা কাপড়ের স্পর্শ নয়, এমনকি ঠান্ডা বাতাসের স্পর্শও সহ্য করতে পারে না। সাথে সাথে শব্দ (গোলমাল) এবং গন্ধও সহ্য করতে পারে না। হিপারের শুধু শরীরই সেনসেটিভ নয়, সাথে সাথে মনও সেনসেটিভ। অর্থাৎ মেজাজ খুবই খিটখিটে।
(১১) Phosphorus : ফসফরাসের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এই রোগীরা খুব দ্রুত লম্বা হয়ে যায় (এবং এই কারণে হাঁটার সময় সামনের দিকে বেঁকে যায়), অধিকাংশ সময় রক্তশূণ্যতায় ভোগে, রক্তক্ষরণ হয় বেশী, অল্প একটু কেটে গেলেই তা থেকে অনেকক্ষণ রক্ত ঝরতে থাকে, রোগী বরফের মতো কড়া ঠান্ডা পানি খেতে চায়, মেরুদন্ড থেকে মনে হয় তাপ বেরুচ্ছে, একা থাকতে ভয় পায়, হাতের তালুতে জ্বালাপোড়া ইত্যাদি ইত্যাদি লক্ষণ থাকলে যে-কোন রোগে ফসফরাস প্রয়োগ করতে হবে।
(১২) Nux vomica : যারা অধিকাংশ সময়ে পেটের অসুখে-বদহজমে ভোগে, বদমেজাজী, ঝগড়াটে, বেশীর ভাগ সময় শুয়ে-বসে কাটায়, কথার বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না এবং অল্প শীতেই কাতর হয়ে পড়ে, এটি তাদের (জ্বর-কাশি-ডায়েরিয়া-আমাশয়-রক্তআমাশয়-পেটব্যথা-মাথাব্যথা-বুকেব্যথা-শ্বাসকষ্ট প্রভৃতি) ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। অধিকাংশ রোগ রাতের বেলা বেড়ে যায়। পান-সিগারেট-মদ-গাজা-ফেনসিডিল-হিরোইন দীর্ঘদিন সেবনে শরীরের যে ক্ষতি হয়, নাক্স ভমিকা তাকে পুষিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি এটি মদ-ফেনসিডিলের নেশা ছাড়তে ব্যবহার করতে পারেন। এটি জ্বর, আমাশয়, পেটব্যথা, নিদ্রাহীনতা, কোষ্টকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিক আলসার, হিস্টেরিয়া, খিচুনি, ধনুস্টংকার, পাইলস, দুর্বলতা, ক্ষুধাহীনতা, প্যারালাইসিস, ধ্বজভঙ্গ বা যৌন দুর্বলতা প্রভৃতির শ্রেষ্ট ঔষধ।
(১৩) Pulsatilla pratensis : পালসেটিলার প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো গলা শুকিয়ে থাকে কিন্তু কোন পানি পিপাসা থাকে না, ঠান্ডা বাতাস-ঠান্ডা খাবার-ঠান্ডা পানি পছন্দ করে, গরম-আলো-বাতাসহীন বদ্ধ ঘরে রোগীনী বিরক্ত বোধ করে ইত্যাদি ইত্যাদি। আবেগপ্রবন, অল্পতেই কেঁদে ফেলে এবং যত দিন যায় ততই মোটা হতে থাকে, এমন মেয়েদের ক্ষেত্রে পালসেটিলা ভালো কাজ করে। এসব লক্ষণ কারো মধ্যে থাকলে যে-কোন রোগে পালসেটিলা খাওয়াতে হবে। বাতের ব্যথা ঘনঘন স্থান পরিবর্তন করলে পালসেটিলা খেতে হবে (যেমন- সকালে এক জায়গায় ব্যথা তো বিকালে অন্য জায়গায়।)। মাসিক বন্ধ থাকলে পালসেটিলা সেটি চালু করতে পারে। ঘি-চবি জাতীয় খাবার খেয়ে যে-কোন রোগ হলে পালসেটিলা অবশ্যই খাবেন। এটি নারী-পুরুষ উভয়ের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে। গর্ভবতী মেয়েদের প্রায় সকল সমস্যাই পালসেটিলা দূর করে দিতে পারে। প্রসব ব্যথা বাড়িয়ে দিয়ে পালসেটিলা প্রসবকাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন করতে পারে। পালসেটিলা বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে পারে। এমনকি গর্ভস্থ শিশুর পজিশন ঠিক না থাকলে তাও ঠিক করে দেওয়ার মতো অলৌকিক ক্ষমতা পালসেটিলার আছে।

(১৪) Cantharis : জ্বালা-পোড়া এবং ছিড়ে ফেলার মতো ব্যথা হলো ক্যান্থারিসের প্রধান লক্ষণ। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া এবং ঘনঘন প্রস্রাবের সমস্যায় ইহা একটি যাদুকরী ঔষধ। ভীষণ জ্বালাপোড়া থাকলে যে-কোন রোগে ক্যান্থারিস ব্যবহার করতে পারেন। এটি জলাতঙ্ক রোগের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। এটি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে ভীষণভাবে। কোন জায়গা পুড়ে গেলে একই সাথে খাওয়ান এবং পানির সাথে মিশিয়ে পোড়া জায়গায় লাগান। এটি পেটের মরা বাচ্চা, গর্ভফুল বের করে দিতে পারে এবং বন্ধ্যাত্ব নির্মূল করতে পারে।

(১৫) Colocynthis : পেটের ব্যথা যদি শক্ত কোন কিছু দিয়ে পেটে চাপ দিলে অথবা সামনের দিকে বাঁকা হলে কমে যায়, তবে কলোসিন্থ আপনাকে সেই ব্যথা থেকে মুক্ত করবে। কলোসিনে'র ব্যথা ছুরি মারার মতো খুবই মারাত্মক ধরণের অথবা মনে হবে যেন দুটি পাথর দিয়ে পেটের নাড়ি-ভূড়িগুলোকে কেউ পিষতেছে। যে-কোন রোগের সাথে যদি এরকম চিড়িক মারা পেট ব্যথা থাকে, তবে কলোসিন্থে সেই রোগ সেরে যাবে (হউক তা ডায়েরিয়া-আমাশয় অথবা টিউমার)। রেগে যাওয়া, অপমানিত হওয়া, ঝগড়া-ঝাটি, ফল-ফ্রুট খাওয়া, ঠান্ডা পানি পান করা ইত্যাদি কারণে ডায়েরিয়া হলে তাতে কলোসিন্থ খেতে হবে।

(১৬) Thuja occidentalis : যে-কোন টিকা (বিসিজি, ডিপিটি, পোলিও, এটিএস ইত্যাদি) নেওয়ার কারণে জ্বর আসলে অথবা অন্য যে-কোন (মামুলি অথবা মারাত্মক ধরণের) রোগ হলে সেক্ষেত্রে থুজা একটি অতুলনীয় ঔষধ। যে-কোন টিকা নেওয়ার সময় পাশাপাশি রোজ তিনবেলা করে থুজা খান, তাহলে সেই টিকার ক্ষতিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে পারবেন। জ্বরের মধ্যে কেউ যদি ‘উপর থেকে পড়ে যাওয়ার’ স্বপ্ন দেখে, তবে সেটি যেই নামের জ্বরই হোক না কেন, থুজা তাকে নিরাময় করে দিবে। আঁচিল বা মেঞ্জের এক নম্বর ঔষধ হলো থুজা। গনোরিয়া রোগে এবং মাসিকের সময় ব্যথা হলে থুজা সবচেয়ে ভালো ঔষধ। প্রস্রাবের অধিকাংশ সমস্যা থুজায় নিরাময় হয়ে যায়। নরম টিউমার ইহাতে আরোগ্য হয়। যে-সব রোগ বর্ষাকালে বা ভ্যাপসা আবহাওয়ার সময় বৃদ্ধি পায়, সে-সব রোগে থুজা খান।

(১৭) Hypericum perforatum : যে-সব আঘাতে কোন স্মায়ু ছিড়ে যায়, তাতে খুবই মারাত্মক ব্যথা শুরু হয় যা নিবারণে হাইপেরিকাম খাওয়া ছাড়া গতি নেই। শরীরের সপর্শকাতর স্থানে {যেমন- ব্রেন বা মাথা, মেরুদন্ড, (পাছার নিকটে) কণ্ডার হাড়ে, আঙুলের মাথায়, অণ্ডকোষে ইত্যাদিতে} আঘাত পেলে বা কিছু বিদ্ধ হলে, তাতে হাইপেরিকাম খেতে দেরি করবেন না। আঘাত পাওয়ার স্থান থেকে প্রচণ্ড ব্যথা যদি চারদিকে ছড়াতে থাকে বা খিঁচুনি দেখা দেয় অথবা শরীর ধনুকের ন্যায় বাঁকা হয়ে যায় (ধনুষ্টঙ্কার), তবে হাইপেরিকাম ঘনঘন খাওয়াতে থাকুন। (তবে যে-সব ক্ষেত্রে পেশী এবং স্নায়ু দুটোই আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে বলে মনে হয়, তাতে আর্নিকা এবং হাইপেরিকাম একত্রে মিশিয়ে খেতে পারেন।) হাইপেরিকাম খেতে পারলে আর এটিএস ইনজেকশন নেওয়ার কোন দরকার হবে না।

(১৮) Chamomilla : যদি ব্যথার তীব্রতায় কোন রোগী দিগ্‌বিদিক জ্ঞানশূণ্য হয়ে পড়ে, তার ভদ্রতাজ্ঞানও লোপ পেয়ে যায়, সে ডাক্তার বা নার্সকে পযর্ন্ত গালাগালি দিতে থাকে; তবে তাকে ক্যামোমিলা খাওয়াতে হবে। ক্যামোমিলা হলো অভদ্র রোগীদের ঔষধ। স্কুলের শিক্ষকদের হাতে শিশুরা মার খাওয়ার ফলে, অপমানিত হওয়ার কারণে, শারীরিক-মানসিক নিরযাতনের ফলে কোন রোগ হলে ক্যামোমিলা খাওয়াতে ভুলবেন না। যারা ব্যথা একদম সহ্য করতে পারে না, ক্যামোমিলা হলো তাদের ঔষধ। যে-সব মেয়েরা প্রসব ব্যথায় পাগলের মতো হয়ে যায়, তাদেরকে এটি খাওয়াতে হবে। গরম কিছু খেলে যদি দাঁত ব্যথা বেড়ে যায়, তবে ক্যামোমিলা প্রযোজ্য। ডায়েরিয়া বা আমাশয়ের পায়খানা থেকে যদি পঁচা ডিমের গন্ধ আসে, তবে এটি খাওয়াতে হবে। শিশুদের দাঁত ওঠার সময়ে পেটের অসুখ হলে ক্যামোমিলা খাওয়াবেন। কোন শিশু যদি সারাক্ষণ কোলে ওঠে থাকতে চায়, তবে তাকে যে-কোন রোগে ক্যামোমিলা খাওয়ালে তা সেরে যাবে।

(১৯) Plantago Major : দাঁত, কান এবং মুখের ব্যথায় প্লানটাগো মেজর এমন চমৎকার কাজ করে যে, তাকে এক কথায় যাদু বলাই যুক্তিসঙ্গত। একদিন পত্রিকায় দেখলাম, একজন প্রখ্যাত সাংবাদিকের দাঁতব্যথা সারাতে না পেরে ডেন্টিস্টরা শেষ পযর্ন্ত একে একে তাঁর ভালো ভালো চারটি দাঁতই তুলে ফেলেছেন। আহা ! বেচারা ডেন্টিস্টরা যদি প্লানটাগো’র গুণের কথা জানত, তবে প্রবীণ এই সাংবাদিকের দাঁতগুলো শহীদ হতো না।

(২০) Ledum palustre : সূচ, আলপিন, তারকাটা, পেরেক, টেটা প্রভৃতি বিদ্ধ হলে ব্যথা কমাতে এবং ধনুষ্টঙ্কার / খিচুনি ঠেকাতে লিডাম ঘনঘন খাওয়ান। পক্ষান্তরে ধনুষ্টঙ্কার দেখা দিলে বা আক্রান্ত স্থান থেকে তীব্র ব্যথা শরীরের বিভিন্ন দিকে যেতে থাকলে এবং শরীর ধনুকের মতো বাঁকা হয়ে গেলে হাইপেরিকাম (Hypericum perforatum) ঘনঘন খাওয়াতে থাকুন। চোখে ঘুষি বা এই জাতীয় কোনো আঘাত লাগলে লিডাম এক ঘণ্টা পরপর খেতে থাকুন। ইদুর এবং পোকার কামড়ে লিডাম খেতে হবে। এটি উকুনের একটি শ্রেষ্ট ঔষধ, তেল বা পানির সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। বাতের ব্যথায় উপকারী বিশেষত যাদের পা দুটি সব সময় ঠান্ডা থাকে। আঘাতের স্থানে কালশিরা পড়া ঠেকাতে অথবা কালশিরা পড়লে তা দূর করতে লিডাম খেতে পারেন।

surface

এক কথায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-******************************( বিঃদ্রঃ- নতুন ডাক্তারদের অনুরোধে তথ্যগুলো দেওয়া হলো, শক্ত...
07/10/2022

এক কথায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :-
******************************

( বিঃদ্রঃ- নতুন ডাক্তারদের অনুরোধে তথ্যগুলো দেওয়া হলো, শক্তি ও মাত্র সরাসরি চেম্বারে শেখানো হয়েছে এবং হবে )

১. আঘাত পেয়ে যেকোন রোগ হলে- Arnica
২. হঠাৎ আসা তরুণ ও জোরালো যেকোন রোগে- Aconite
৩. গলায় মাছের কাটা বিধলে-Silicia 200
৪. ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে গেলে-Staphysagria
৫. পিন , তারকাটা , পেরেক , লোহা বিধলে-Ledum Pal 200
৬. অতিরিক্ত হাঁচি আসলে-Natrum Mur 30
৭. যানবাহনে চড়ে বমি হলে-Cocculus Ind
৮. ঘুমের মাঝে নাক ডাকলে- O***m
৯. ঘুম না আসলে- O***m
১০. অত্যধিক ঘুমের জন্য লেখা পড়ার‌ ক্ষতি হলে-Ferrum Phos 3x
১১. চোখের পাতায় বার বার অঞ্জলি/তেলেঙ্গা হলে-Staphysagria
১২. যেকোন স্থানে , যেকোন ব্যথায় -Mag phos 6x
১৩. ক্ষুধা ও বলশক্তি বৃদ্ধির জন্য-Nux Vom‌ Q
১৪. খাবারে রুচি না থাকলে-Amloki Q
১৫. শরীরের কোন স্থান কেটে রক্তপাত ঘটলে-Calendula Q (বাহ্যিক)
১৬. বর্ষা/বৃষ্টির কারণে যেকোন রোগ হলে-Rhus Tox
১৭. সাদা আমাশয় হলে-Merc Sol
১৮. আমাশয়ে রক্ত গেলে-Merc Cor
১৯. শরীরের যেকোন স্থান দিয়ে টাটকা লাল রক্ত স্রাব হলে-Sinaberis
২১. নব বিবাহিত স্ত্রীর জ্বালাকর মূত্রবেগ / মূত্র কৃচ্ছতা/ নিষ্ফল মূত্র বেগ- Staphysagria
২২. নড়াচড়া বা চাপলে আরাম-RhusTox
২৩. চুপচাপ থাকলে আরাম-Bryonia Alb
২৪. স্কুল কলেজ/অবিবাহিত যুবকদের কামরিপু দমনের জন্য Cantharis
২৫. গায়ক/বক্তার স্বর ভেঙ্গে গেলে-Custicum/Arg Nit
২৬. স্মরণশক্তি লোপ পেলে-Anacardium
২৭. খিটখিটে মেজাজ বদ-রাগি লোকদের যেকোন রোগে-Camomila
২৮. উচ্চ রক্তচাপ /আগুন, গরম ও রৌদ্রজনিত যেকোনো রোগে বা সমস্যায়-Glonoine
২৯. শুঁচিপায়ি রোগির জন্য-Ars/ Syphillinum-10m
৩০. বাচ্চারা বিছানায় প্রস্রাব করলে- Medo/Cina
৩১. মৌমাছি হুল ফুটালে-Apis Mel
৩২. চুন খেয়ে জিহ্বা পুড়লে/সমস্যা হলে-Causticum
৩৩. পিঠে ব্যথায়-Lycopodium
৩৪. ঘাড় ব্যথার জন্য-Conium
৩৫. দুরগন্ধযুক্ত যেকোন স্রাব হলে-Achinesia
৩৬. সোরাইসিসের জন্য-Gynocardium Q
৩৭. যা খায় তাই বমি করে , কোন খাবার হজম হয়না-Symphoricur pus 30
৩৮. মাথায় যন্ত্রনা বা ব্রেনের যেকোন সমস্যায় - Kali Phos 6x
৩৯. মহিলাদের জরায়ু ঝুলে গেলে-Sipia 200
৪০. মহিলাদের তল পেটে ব্যথা হলে-Colophylom Q
৪১. প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা-Causticum 200
৪২. গুরুপাক/ তৈলাক্ত খাবার খেয়ে অসুখ হলে-Pulsitilla
৪৩. যেকোনো বাতের জন্য -Guacum
৪৪. শরীরে ক্যালসিয়ামের অভাব হলে-Calcaria phos-6x
৪৫. শরীরে আইরনের অভাব হলে-Ferum phos-6x
৪৬. শরীরে মাল্টিভিটামিনের প্রয়োজন হলে- Five Phos
৪৭. ছাত্র-ছাত্রীদের পড়তে গেলে মাথাব্যথা-Calcaria phos
৪৮. রোগী কথায় কথায় “ যদি ” শব্দ থাকলে- Arg Nit 200
৪৯. মুখ ও গলার ভিতর যেকোন রোগে- Marc Sol
৫০. ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়ার ঔষধ- Eupatorium Perfoliatum
৫১. হৃদরোগের মহা ঔষধ Cratigus

আশা করি এই তথ্য গুলো শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা জীবনে কাজে আসবে।

ডা. এম আল মামুন
ডিএইচএমএস, ঢাকা।
এলএইচএমপি, খুলনা, (বোর্ড স্ট্যান্ড)।

লেখক:- হ্যান্ড বুক অভ মেটিরিয়া মেডিকা (২০১৬ ইং প্রকাশিত)

ভাইসপ্রিন্সিপাল:- কাশিমপু বেঙ্গল হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কাশিমপুর, গাজীপুর সিটি।

প্রতিষ্ঠাতা সদস্য:- আশুঃ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ঢাকা।

জিএমঃ- হ্যালো হোমিওপ্যাথি ।

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি:- বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক ছাত্র অধিকার পরিষদ।

চেম্বার:- বেঙ্গল হোমিও কমপ্লেক্স,
সুলতান মার্কেট, কাশিমপুর,গাজীপুর সিটি।

চেম্বার:- দেশ হোমিও কমপ্লেক্স।
ঢাকা ইপিজেড সংলগ্ন, আশুলিয়া, ঢাকা।
হোয়াটসঅ্যাপ / মোবাইল:- ০১৮৬৬ ৫৫৫ ৮৮৮

Address

Barasat
700126

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BCB medical College alumni association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share