Satsang Kendra Mondermoni

Satsang Kendra Mondermoni A NICE SATSANG MONDIR IN PURBA MEDINIPUR DISTRICT.

 #মনের_মানুষ শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব একজনকে কথায় কথায় বললেন,-" তুমি এমন মানুষের সামনেই উলঙ্গ হবে যে তোমার আব্রু রক্ষা করতে প...
14/06/2024

#মনের_মানুষ
শ্রীশ্রীআচার্য্যদেব একজনকে কথায় কথায় বললেন,-" তুমি এমন মানুষের সামনেই উলঙ্গ হবে যে তোমার আব্রু রক্ষা করতে পারেন। "

অর্থাৎ নিজের ব্যাক্তিগত সব গোপন কথা, নিজের মন এমন একজন মানুষের কাছেই উম্মুক্ত করতে হয়,- যিনি আমায় সবচেয়ে বেশী ভালবাসেন, আমায় সর্বদিকে রক্ষা করার ক্ষমতা ধারন করেন, যিনি আমার আত্মসম্মানবোধ বিনষ্ট হতে দেবেন না।

স্যোসাল মিডিয়া নিজের ব্যাক্তিগত জীবন উম্মুক্ত করার জায়গা নয়। স্বামী-স্ত্রীর ঝামেলা হলেই রাগের বশে স্যোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তা ব্যাক্ত করা,- অত্যন্ত মূর্খামির একটি পরিচয়।

একবার আচার্য্যদেব আমায় বললেন,-" শুন,- দশ চক্রে ভগবানও ভূত হন। তোমার স্ত্রীর সাথে কোন ঝামেলা হলে কাউকে বলবে না,- নিজের মা বাবাকেও না৷ কারন,- তোমার মা বাবা তোমাকেই বেশী ভালবাসেন। স্ত্রীর সাথে তোমার ঝামেলা হলে তোমার মা তোমাকেই সমর্থন করবেন,- তোমার স্ত্রীর ত্রুটিগুলিই আরো তুলে ধরবেন। তাতে তোমার ঝামেলা আরো বাড়বে। বন্ধুবান্ধবকে বলবে না,- তাতে তারা সুযোগ পেলে তোমার দূর্বলতার সুযোগ নেবে৷ "

অর্থাৎ একমাত্র গুরু বা আচার্য্য ছাড়া অন্য কারো সামনে নিজেকে উম্মুক্ত করা উচিত নয়। কিন্তু যাদের কোন জীবন্ত সদগুরু বা আচার্য্য নেই,- তাদের জন্য বড় সমস্যা।

ব্যাক্তিগত জীবনে বা দাম্পত্য জীবনে কঠিন সমস্যায় জড়িয়ে পড়লে,- তা থেকে বেরিয়ে আসার কোন পথ তাদের থাকেনা। নিজেরাই গুমরে মরে,- নতুবা ভুল মানুষের কাছে সাহায্য প্রার্থী হয়ে ঠকে যায়।

****************
ডা: রাজেশ চৌধুরী
আগরতলা
১২-০৬-২৪

আজকের এই অস্থির সময়ে যেখানে হরেক রকমের আমোদ প্রমোদ তথা সময় উৎযাপনের বিবিধ পথ খুজে নেওয়া যায় সেইসময় দাড়িয়েও বই পড়ার শখ এব...
24/04/2024

আজকের এই অস্থির সময়ে যেখানে হরেক রকমের আমোদ প্রমোদ তথা সময় উৎযাপনের বিবিধ পথ খুজে নেওয়া যায় সেইসময় দাড়িয়েও বই পড়ার শখ এবং অভ্যেস যে আজ ও কিছু মানুষ ছাড়েনি তা অত্যন্ত আশার কথা। বই মানুষকে যে শুধু জ্ঞানে ঋদ্ধ করে তা নয়,বই পড়ার অভ্যেস আমাদের স্মৃতি কেও তরতাজা রাখে যা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমানিত।

বই এবং বন্ধু কখনো সমার্থক হয়ে যায়।আমাদের মনের গতি সবসময় একরকম থাকে না।বিশেষ করে একাকী,অবসাদময় পরিস্থিতিতে সঠিক বই নির্বাচন করে পাঠ করলে একটা তাৎক্ষনিক সুখ আসে।যন্ত্রের আধিপত্য আমাদের জীবনে যতই আসুক এই বই পড়ার সু অভ্যেস কে কখনোই ত্যাগ করা উচিত নয়।আজকের প্রজন্মের বাচ্চারা যারা কম বয়স থেকেই অতিরিক্ত মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে উঠছে, যেসব মানুষেরা Whatsapp University থেকে সিলেবাসের বাইরের পড়াশোনাটা করে নিচ্ছেন তাদের উচিত নিয়মিত না হোক মাঝে মাঝে বই এর রাজ্যে একটু একটু করে উকি দেওয়া।মোবাইলের নীল আলোয় ঘন্টার ঘন্টার পর ঘন্টা মুখ বুঝে কিংবা ইনস্ট্রাগ্রামের ঝিকিমিকি আনন্দ থেকে প্রচুর ডোপামিন ক্ষরন হয়ে আপনাকে সাময়িক সুখ দিতে পারে কিন্ত ভুলে যাবেন না আধুনিক বিজ্ঞান সুষ্পষ্টভাবেই বলছে এই মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি কত সর্বনাশ আনছে আমাদের জীবনে।নিয়মিত বই পাঠে কিন্ত এইরকম ক্ষতির আশংকা নেই।তাই বই পড়ুন, তার Essence কে মজ্জাগত করতে চেষ্টা করুন।নিজের জ্ঞান পিপাসা মেটানোর এই সুপ্রাচীন অভ্যেস কে বজায় রাখুন।

~ধৃতিসুন্দর নাথ।

Collected
২৩/০৪/২৪

এক জঙ্গলের পাশে দুই কাঠুরে বাস করতো- পিটার এবং জন। তাদের মধ্যে প্রায়ই তর্ক হতো - কে বেশি কাঠ কাটতে পারে?তো একদিন তারা এক...
21/04/2024

এক জঙ্গলের পাশে দুই কাঠুরে বাস করতো- পিটার এবং জন। তাদের মধ্যে প্রায়ই তর্ক হতো - কে বেশি কাঠ কাটতে পারে?

তো একদিন তারা একটা প্রতিযোগিতা করার সিদ্ধান্ত নিল যাতে পরিষ্কার হয়ে যায় কে সবথেকে বেশি কাঠ কাটতে পারে। প্রতিযোগিতার নিয়ম - সকাল ৮ থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত যে বেশি কাটবে, সেই জয়ী।

পরের দিন সকালে, তারা জঙ্গলের মধ্যে তাদের অবস্থান নিল এবং কাট কাঠতে শুরু করলো যতটা দ্রুত সম্ভব। এক ঘন্টা পর, পিটার হঠাৎ কাঠ কাঁটা বন্ধ করলো। জন পিটারের কাঠ কাটার শব্দ না পেয়ে মনে মনে খুশি হলো এবং ভাবলো সে মনে হয় ইতিমধ্যে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

প্রায় ১৫ মিনিট পর, আবার পিটারের কাঠ কাটার শব্দ আসতে লাগলো এবং সারাদিন এক ঘন্টা পর পর এরকম প্রায় ১৫ মিনিটের জন্য পিটারের কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যেত না। আর এইদিকে জন, প্রচন্ড খুশি মনে একটানা কাঠ কেটে যেতে লাগলো এবং সে নিশ্চিন্ত ছিল, অব্যশই আমি অনেকটা বেশি কাট কেটেছি।

সারাদিন শেষে যখন তারা এক জায়গায় তাদের কাঠগুলো এনে জড়ো করলো, জন অবাক হয়ে দেখলো, পিটার তার থেকে অনেকগুলো বেশি কাঠ কেটেছে।

সে চিৎকার করে উঠলো, "এটা কিভাবে সম্ভব? আমার থেকে কিভাবে তুমি বেশি কাঠ কাটতে পারো? তুমি সারাদিন প্রতি ঘন্টায় ১৫ মিনিট করে বিশ্রাম নিয়েছো আর আমি সারাদিন কাঠ কেটেছি।"

পিটার হাসলো এবং উত্তর দিলোঃ "আমি ১৫ মিনিট বিশ্রাম নেয়ার পাশাপাশি আমার কুঠারে ধার দিয়েছি। আর যার কারণেই আমি বেশি কাঠ কাটতে পেরেছি।"

আমাদের মধ্যেও সবাই অনেক অনেক ব্যস্ত। আমরা এতটাই ব্যস্ত যে আমাদের নিজেদের জন্য সময় নেই। এতে আমাদের কুঠার মানে মস্তিষ্ক কিন্তু দিন দিন ধার কমে যাচ্ছে।
মাঝে মাঝে একটু ব্রেক নিয়ে, নতুন কিছু শেখা, নতুন কিছু জানার মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক ধারালো হয়।

আমাদেরকে আরেকটু বেশি কর্মঠ করতে, আরো বেশি সচল থাকতে - আমরা এই কাজগুলো করতে পারি।

শারীরিকঃ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম এবং নিয়মিত এক্সারসাইজ।
সামাজিকঃ ভালো সামাজিক জীবন, সত্যিকারের সম্পর্ক।
মানসিকঃ নতুন কিছু শেখা, বইপড়া এবং লেখালেখি করা।
আধ্যাত্মিকঃ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা, পালন করা।

প্রফুল্লদাঃ—কিভাবে সর্ব্বক্ষণ তাঁতে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখব? #শ্রীশ্রীঠাকুরঃ—জানবে, ইষ্ট যা' কিছু হয়ে আছেন। তিনিই তোমাদের প্র...
15/04/2024

প্রফুল্লদাঃ—কিভাবে সর্ব্বক্ষণ তাঁতে দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখব?
#শ্রীশ্রীঠাকুরঃ—জানবে, ইষ্ট যা' কিছু হয়ে আছেন। তিনিই তোমাদের প্রাণ - পুরুষ। নাম- নামীকে নিয়ে থাকবে,প্রবৃত্তির- চাহিদাকে নির্ম্মভাবে উপেক্ষা করে,শরীর- মনকে ইষ্টের ইচ্ছাপূরণ ও তাঁর ঈপ্সিত চলনে বাস্তবভাবে ব্যাপৃত রাখবে।এই হলো মোক্ষম তুক।করে
দেখো, এত শত দুঃখের মধ্যে ও মহা আনন্দে থাকবে।
তোমাদের সত্যিকার স্বার্থ কী, তা তোমরা না জানলেও
পরমপিতার দয়ায় এই বেকুব বামুন ভালাভাবেই জানে।
তাই কথা বেকুবের মত মেনে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আ:প্র:১১ খন্ড ।

প্রশ্নঃ—নাম নেবার পর দুর্ভোগ বাড়ে কেন ?

শ্রীশ্রীঠাকুরঃ—তার মানে মজুত অপকর্ম্মের ফল তাড়াতাড়ি বেরিয়ে যায়। সে যদি নিষ্ঠার সঙ্গে করনীয় করে চলে, তবে স্বস্তির অধিকারী হবেই।


"শুভকৰ্ম্মে আসেই শুভ,
মন্দে কিন্তু মন্দই হয়,
বিধির বিধান এমনতর
কপাল জুড়ে সেটাই রয়।"

--শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্ৰ

অনুশ্রুতি ৪র্থ খন্ড ।

এটাই হলো বাবা মা💔💔
11/04/2024

এটাই হলো বাবা মা💔💔

 #বর্ণাশ্রম_সত্যি_কি_আজকাল_সঠিক_ভাবে_মানা_যাচ্ছে                    বর্তমানে এক না বলা সমস্যা যা হয়তো প্রতিনিয়ত বহু মে...
30/03/2024

#বর্ণাশ্রম_সত্যি_কি_আজকাল_সঠিক_ভাবে_মানা_যাচ্ছে
বর্তমানে এক না বলা সমস্যা যা হয়তো প্রতিনিয়ত বহু মেয়ে এর সম্মুখীন হয়। সেদিন এক দাদার সাথে বর্ণাশ্রম নিয়ে কথা বলতে গিয়ে, কথায় কথায় আমি বললাম আজকালকার দিনে বিশেষ করে মেয়েরা এতো উচ্চ শিক্ষিত হচ্ছে, নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে অথচ বিবাহের সময় পাত্র খুঁজতে গিয়ে সেই স্ববর্ণ সদৃশ ঘরের উচ্চ শিক্ষিত, প্রতিষ্ঠিত আদর্শ পুরুষ পাওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই ক্ষেত্রে মেয়েরা শেষে অনুলোম বিয়ে করতে বাধ্য হয়, কারণ নিজের বর্ণ বংশ মিলিয়ে যোগ্য ছেলেতো বর্তমানে পাওয়া মুশকিল। কারণ একটা মেয়ে বিশেষ করে সৎসঙ্গী মেয়েরা নিজের থেকে সব দিক দিয়ে উচ্চ পুরুষের প্রতি আসক্ত হয়, এবং শ্রদ্ধাশীল হয়। বিবাহযোগ্য পুরুষ মানেই হলো যে একজন নারীকে সবদিক দিয়ে বহন এবং পূরণ করার ক্ষমতা রাখে। একজন নারী যখন তার মন মতো জীবন সঙ্গী না পায় সেই ক্ষেত্রে যতই স্ববর্ণ এবং সদৃশ্য ঘরে বিয়ে হোক না কেন সেই বিয়ে কখনো ভালো হয় না। যার ফলে অনুলোম বিবাহের সংখ্যা বর্তমানে অনেক বেশি।
যাই হোক আজ হঠাৎ ঠাকুরের আলোচনা প্রসঙ্গ পড়তে গিয়ে দেখলাম,,,
একবার শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে প্রশ্ন করেছিলেন যে,
"সদৃশ্য ঘরের পুরুষের সব বিষয়ে উন্নত হওয়া দরকার কেন??"
শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন:- বিয়ে সদৃশ্য ঘড়ে হওয়া ভালো। সদৃশ্য ঘরের হয়েও পুরুষ যদি নারীর চাইতে সব বিষয়ে উন্নত না হয়, সেই বিয়েতে ফল ভালো হয় না। ওতে দাম্পত্য জীবন স্বার্থক হয় না। 🍂 (আলোচনা প্রসঙ্গ, ৭ খন্ড, ২৪/১/১৯৪৬)

Copyed
✒কলমে:- শুভদীপা দাস
আগরতলা, 27/03/2024

Address

Contai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsang Kendra Mondermoni posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share