08/03/2024
কার্তিকপুর দেগঙ্গা আদর্শ বিদ্যাপীঠ এর রঙ পরিবর্তনের বিষয়টি সম্প্রতি বেশ আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। পূর্বের সাদা-নীল রঙের পরিবর্তে বর্তমানে গোলাপী রঙ প্রয়োগ করা হয়েছে। এই পরিবর্তন নিয়ে কিছু সমালোচনাও উঠে এসেছে সবার মধ্যেই||
দীর্ঘদিন পরে পুরোনো যে আবেশ এ ভাঙন ধরেছিল সেটায় এই রং করার ফলে আধুনিক ও সমসাময়িক রূপ ধারণ করেছে | গোলাপী রঙকে প্রায়শই শান্তি, আনন্দ ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এই রঙ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করবে ||
গোলাপী রঙ ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যালয় একটি unique (স্বত্রন্ত)লাগছে, সচরাচর এই রং কোনও বিয়ালয়ে ব্যাবহার করতে এমনকি গার্লস কোনও স্কুল এও দেখা যায় না , সেই ভাবধারা যে বিদ্যালয়ের রং কিছু বিশেষ রং ই ভালো লাগে , এটার থেকে বেরিয়ে একটা UNIQUE কিছু রং এ Colourful ই লাগছে ||
গোলাপী রঙ শুধুমাত্র মেয়েদের জন্য নয়, বরং এটি সকলের জন্য। এটি একটি আনন্দময় ও ইতিবাচক রঙ যা সকলের মধ্যেই সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের অনুপ্রেরণা জাগাতে পারে। রঙ পরিবর্তনের অর্থ এই নয় যে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুরোনো ঐতিহ্যকে অবমূল্যায়ন করছে। বরং তারা আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয়কে আরও উন্নত ও আকর্ষণীয় করে তুলতে চায় ||
এই প্রতিক্রিয়ায় পুরোনো ভাবের সাথে বর্তমানের তুলনা করা হয়নি। বর্তমানকালে সোশ্যাল মিডিয়া একটি বেশ বরছড় জায়গা ধারণ করেছে মানুষের মন বিকৃতি করার জন্যে, যেখানে কোনো ঘটনা ঘটলে সেটার trolling এ লোকেরা ব্যস্ত,এবং এই Troling এর সাপোর্ট করতে হবে নাহলে তো বিশেষ কিছু মানুষের ধারণার বিপরীতে গিয়ে কথা শুনতে হবে এই ভয়ে বেশ কিছু মানুষ যেটা পছন্দ করছে সেটা পক্ষে না বলে Trolling এর পক্ষেই কথা বলতে বাধ্য হচ্ছে||
গোলাপি রং তো ভালবাসা প্রকাশ করে , এবং এই স্বত্রন্ত পরিবেশ শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে আরও বেশি করে ভালোবাসার জাগরণ আনবে বলে বিশ্বাস| এখানে পুরোনো ভাবকে অপমান করা হয়নি,বরং বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বলা হয়েছে, সুতরাং আমাদের উচিত বিষয়টাকে সমালোচনা না করে এটার পক্ষে এগিয়ে আসা ||
"যাহার হৃদয়ে যত সৌন্দর্য বিরাজ করিতেছে সে তত সৌন্দর্য উপভোগ করিতে পারে। সৌন্দর্যের সহিত তাহার নিজের ঐক্য যতই সে বুঝিতে পারে ততই সে আনন্দ লাভ করে।"- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ♥️