09/05/2026
রবীন্দ্রজয়ন্তী প্রতিবছর পালন করি, পালন করতে হয়। কিন্তু এবারের বিষয়টা অন্যরকম, আমাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেছে।
অসমিয়া বিভাগের অধ্যাপক ড. ডালিমা কাকতি (বলতে গর্ব হয় আমার ছাত্রী)অসম্ভব মেধাবী ছাত্রী, জীবনে বোধ হয় কোনো পরীক্ষায় দ্বিতীয় হয়নি, ৬/ ৭ টা এম. এ- ডিগ্রিধারী, রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুচেতনা নিয়ে যা বলল, আমি ব্যোমকে গেছি সিরিয়াসলি। উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের ড. সীমা সরকার অসাধারণ বলল, কিন্তু সে না হয় বাঙালি, বাকিরা তো সকলে তো অসমিয়া। ইতিহাস বিভাগের ড. জ্যোৎস্না বরুয়া, ইংরেজি বিভাগের উৎপল কলিতা, অসমিয়া বিভাগের ড. অরিন্দম কুমার ডেকা, অসমিয়া বিভাগের ড. হরিপ্রসাদ বরুয়া স্বল্পতম সময়ে কী অসাধারণ বক্তব্য রাখল। আমরাই শুধু রবীন্দ্রনাথকে জানি, বুঝি এই উন্নাসিক ভ্রম ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।
অরিন্দমের কণ্ঠে পুরনি সেই দিনর কথা ( অসমিয়া ভার্সন) গানটি আমাদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে।
রবীন্দ্রনাথ কারও বাপের নয়, সক্কলের, এই বোধ নিয়ে বাড়ি ফিরলাম।