30/10/2026
জুমার দিনের আমল ও ফজিলত
জুমার দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ ও মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়। জুমার দিনের আমল ও ফজিলত নিচে তুলে ধরা হলো:
জুমার দিনের আমলসমূহ
• গোসল করা: জুমার দিন ভালোমতো ফরজ গোসলের মতো গোসল করা।
• সুগন্ধি ও পরিচ্ছন্নতা: মিসওয়াক করা, উত্তম ও পরিষ্কার পোশাক পরা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা।
• নখ ও চুল কাটা: শরীরের অযাচিত পশম, চুল ও নখ পরিষ্কার করা।
• সকালে মসজিদে যাওয়া: যত দ্রুত সম্ভব প্রথম ওয়াক্তে মসজিদে গমন করা।
• সূরা কাহফ তিলাওয়াত: বৃহস্পতিবার সূর্য ডুবে যাওয়ার পর থেকে শুক্রবার সূর্য ডুবে যাওয়ার আগ পর্যন্ত [সূরা কাহফ] তিলাওয়াত করা।
• বেশি বেশি দরুদ পাঠ: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা।
• মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা: ইমামের খুতবা শুরু হলে কথাবার্তা সম্পূর্ণ বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শোনা।
• দোয়া কবুলের মুহূর্ত খোঁজা: আসর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে দোয়া করা, কারণ এ সময়ে দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
জুমার দিনের ফজিলত
• সপ্তাহের সেরা দিন: জুমার দিন হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনে হজরত আদম (আ.) সৃষ্টি হয়েছেন এবং এই দিনেই কিয়ামত সংঘটিত হবে।
• গুনাহ মাফ: এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং এর সাথে অতিরিক্ত ৩ দিন মিলিয়ে মোট ১০ দিনের (বা ছোটখাটো) গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
• কবরের আজাব থেকে মুক্তি: জুমার দিনে বা জুমার রাতে কারও মৃত্যু হলে তাকে কবরের আজাব ও ফিতনা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।
• নামাজের সওয়াব: জুমার দিন সকালে মসজিদে যাওয়ার প্রতিটি পদক্ষেপে এক বছর রোজা রাখা ও নফল নামাজ পড়ার সমান সওয়াব পাওয়া যায়।
• দোয়া কবুল: এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় আল্লাহ তাই কবুল করেন।